‘বাপদাদার আমলের বাড়ি, ভাইবোন কেউ ভাগে পাইছে এক কাঠা, কেউ সোয়া কাঠা। এ পরিমাণ জমি লইয়া বাড়ির লাইগ্যা ব্যাংকে লোন লইতে গেলে কয় রাজউকের অনুমোদন লইয়া আহেন। রাজউকে গেলে কয়, বাড়ি করতে অইলে জায়গা ছাড়তে অইবো। এমনিতেই একটু খানি জায়গা, এহান থাইকা জায়গা ছাড়লে বাড়ি করুম ক্যামনে। লোন না পাইয়া কেমিক্যাল ফ্যাক্টরির কাছে বাড়ি ভাড়া দিয়া অ্যাডভ্যান্স লই। জাইন্যা শুইন্যাই মৃত্যুকূপে থাকতে বাধ্য অই।’
আজ (সোমবার) পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার নন্দ কুমার দত্তরোডের বাসার অদূরে বসে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বললেন ছেলেহারা এক বৃদ্ধ বাবা।